
বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা
১৩ অক্টোবর ২০২৬
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে স্থানীয় নেতৃত্ব বা দল যাকে মনোনয়ন দেবেন, তার বাইরে গিয়ে কেউ প্রার্থী হলে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দল তাদের নিজস্ব উপায়ে সিদ্ধান্ত বা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবে। এতে সরকারের বা প্রশাসনের কোনো সম্পৃক্ততা থাকবে না বলে স্পষ্ট করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
প্রতিমন্ত্রী জানান, নির্বাচনে কে দলীয় সিদ্ধান্ত মানল বা ভাঙল—সেটি সম্পূর্ণ দলের অভ্যন্তরীণ ফোরাম ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের এখতিয়ার। সরকারের মূল দায়িত্ব হলো মাঠপর্যায়ে অবাধ, নিরপেক্ষ ও প্রভাবমুক্ত ভোটের পরিবেশ নিশ্চিত করা।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকারের অবস্থান সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “নির্বাচনে সরকার বিন্দুমাত্র কোনো কলঙ্কের দায়ভার নিতে চায় না। ভোটে কে দাঁড়াল বা দল কাকে সমর্থিত প্রার্থী ঘোষণা করল, তা রাজনৈতিক দলের হিসাব-নিকাশ। তবে মাঠ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন সকল প্রার্থী সমান সুযোগ (Level Playing Field) পান এবং ভোটাররা নিরাপদে ভোট দিতে পারেন।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরকার কোনো একক প্রার্থী বা দলীয় সিদ্ধান্তের পক্ষে প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার করবে না। প্রশাসন সম্পূর্ণ নির্দলীয় থেকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী জানান, চলতি অর্থবছরের (জুন মাস) মধ্যেই যেন স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচন সম্পন্ন করা যায়, সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, “আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ রেখেছি। নির্বাচন কমিশনকে এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব নির্বাচন সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে, যাতে বরাদ্দের অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহৃত হতে পারে।”
মনোনয়ন ও ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর ক্ষেত্রে দল ও সরকারের ভূমিকা পৃথক করে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দেন:
মন্তব্য করুন